১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | বুধবার | বর্ষাকাল | সকাল ১০:১১
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ!
কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়েছিলো আজ

কুষ্টিয়ায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়েছিলো আজ

স্বাধীনতা ডেক্স:
আজ ১১ ডিসেম্বর। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রণাঙ্গন কুষ্টিয়া জেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এ দিনে কুষ্টিয়ায় জেলায় উড়েছিল বাংলার স্বাধীন পতাকা। আর সেই পতাকা উড়াতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছিলেন অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধারা।

১৯৭১ সালের সেই দিনের অনুভূতি তুলে ধরে যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ ভোর রাতেই পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয় কুষ্টিয়া।
প্রতিরোধ যুদ্ধের মুখে ১ এপ্রিল রাতে পাকবাহিনী কুষ্টিয়া ছেড়ে পালিয়ে যায়। তারপর দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়ে ১৬ দিন পর আবারো কুষ্টিয়া দখল করে নেয় পাকবাহিনী।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তি বাহিনীর তুমুল লড়াই চলে। এরমধ্যে ২৬ নভেম্বর সবচেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। ৯ ডিসেম্বরে কুষ্টিয়া শহর ছাড়া সমস্ত এলাকা শত্রু মুক্ত হয়। শহর মুক্ত করতে শুরু হয় তুমুল লড়াই। এ যুদ্ধে উভয় পক্ষের অসংখ্য মানুষ নিহত হয়। ১১ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলী বলেন, ৯ মাস ধরে যখন থেমে থেমে যুদ্ধ হয়। তখন বাঙালি নিধন আর গণহত্যার উৎসবে মেতে উঠেছিল পাকবাহিনী। ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ কুষ্টিয়া শহরের বিহারী কলোনির কোহিনুর ভিলার ১৬ জন শহীদ হন। এটি এ জেলার একটি পরিবারের উপর সংঘটিত সবচেয়ে বড় গণহত্যা।
কুষ্টিয়া শহরে স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল বলেন,দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তি সংগ্রামে হানাদার পাকসেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধ করে যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের সমাধি হিসেবে কুমারখালী, বংশীতলা, বিত্তিপাড়াসহ জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক গণকবর রয়েছে। এসব স্থানে নির্বিচারে হাজারো ব্যক্তিকে গণহত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যে স্বপ্ন ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে লক্ষ প্রাণের বলিদান, সেই স্বপ্ন পূরণ এখনও সুদূর পরাহত। এর আগে ৪ ডিসেম্বর খোকসা, ৮ ডিসেম্বর মিরপুর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা থানা ও ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী থানা পাকহানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়।
এ বিজয়ের দিনটিকে উদযাপন করতে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024